চট্টলা২৪ ডেস্ক: নৌযান শ্রমিকদের কর্মবিরতির কারণে বিভিন্ন জায়গায় আটকা পড়েছে প্রায় ১৬ লাখ টন আমদানি করা পণ্য। চাঁদপুরে লাইটার জাহাজে ৭ নাবিক হত্যার ঘটনায় দোষীদের শাস্তি, নিহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ ও নিরাপদ নৌপথ নিশ্চিতের দাবিতে এ কর্মবিরতির ডাক দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) রাত ১২টা থেকে এ ধর্মঘট শুরু হয়।
চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে অপেক্ষমাণ মাদার ভ্যাসেল, সাগর, নদী ও ৫৭টি ঘাটে পণ্যবোঝাই লাইটার জাহাজে এসব পণ্য আটকে আছে। বহির্নোঙরের কুতুবদিয়াসহ বিভিন্ন অ্যাংকরেজে ২০টি মাদার ভ্যাসেল (বড় জাহাজে) খালাসের অপেক্ষায় আছে ৪ লাখ ৪৪ হাজার ২০০ টন। ২৫ ও ২৬ ডিসেম্বর বিডব্লিউটিসিসি থেকে সিরিয়াল নেওয়া ৬২টি জাহাজ খালি অবস্থায় বসে আছে, কর্মবিরতি প্রত্যাহার হলে তারা মাদার ভ্যাসেল থেকে পণ্য লোড করে গন্তব্যে যাবে। আরও ৩৫টি জাহাজ ১ লাখ ২৫ হাজার ১৫০ টন পণ্য বোঝাই করে গন্তব্যে যেতে পারছে না।
বাংলাদেশ ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট কো-অর্ডিনেশন সেল (বিডব্লিউটিসিসি) সূত্রে জানা গেছে, দেশের বিভিন্ন স্থানে ৫৭টি ঘাটে ৭৩৮টি জাহাজ ১০ লাখ ১১ হাজার ২৩৫ টন আমদানি পণ্য বোঝাই করে বসে আছে কর্মবিরতির কারণে।
এ আর ইমন/চট্টলা২৪

