চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) পরিচালিত পূর্ব বাকলিয়া সিটি কর্পোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে প্রায় ১০ বছর ধরে। এ সময়ের মধ্যে কখনো সহকারী প্রধান শিক্ষক, কখনো সহকারী শিক্ষক এবং কখনো কলেজের অধ্যক্ষ ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেছেন।
প্রায় ১,৫০০ শিক্ষার্থীর এ প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে এক হাজার ১০০ জন শিক্ষার্থী মাধ্যমিক পর্যায়ে পড়াশোনা করছে। কলেজটির অধ্যক্ষ জিন্নাত পারভীন ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন।
চসিক পরিচালিত ৪৮টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ২১টিতে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য, যা মোট বিদ্যালয়ের ৪৩.৭৫ শতাংশ। এ সব বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক এবং কলেজের প্রভাষকরা প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন। দীর্ঘদিন প্রধান শিক্ষক না থাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম, পরিকল্পনা এবং মানোন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের শিক্ষা শাখা থেকে জানা যায়, বর্তমানে ১২টি বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক, ৩টি বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক এবং ৬টি বিদ্যালয়ে কলেজের অধ্যক্ষ প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি সহকারী প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকের অনেক পদও শূন্য রয়েছে।
প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য থাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক কার্যক্রমে নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করা সম্ভব হয় না। এছাড়া চেইন অব কমান্ডেও প্রশ্ন উঠে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে চসিকের প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা ড. কিসিঞ্জার চাকমা বলেন, “আমি সম্প্রতি এ পদে যোগ দিয়েছি। এতগুলো প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য বিষয়টি আমার জানা ছিল না। মেয়র মহোদয়ের সাথে আলোচনা করে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
ডেস্ক রিপোর্ট/ই ডি

