চট্টলা২৪ প্রতিবেদক: চট্টগ্রামের একমাত্র এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ‘শহীদ ওয়াসিম আকরাম উড়ালসড়ক’র টোল আদায় কার্যক্রম শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করেছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ(সিডিএ)।
এক্সপ্রেসওয়ের পতেঙ্গা প্রান্তে টোল আদায়ের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান।এরপর ১০টা ২০মিনিটে প্রথম মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন তাঁর গাড়ির টোল প্রদান করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী নুরুল করিম ও প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী মাহফুজুর রহমান।
বর্তমানে উড়ালসড়কটির পতেঙ্গা প্রান্তে ৪টি বুথের মাধ্যমের দুদিকের টোল আদাল করা হবে। পরবর্তীতে লালখান বাজারসহ ১০টি পয়েন্টে র্যাম্প স্থাপনের পর সেখানেও টোল আদায় করা হবে।
শুরুতে উড়ালসড়কটি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রয়াত মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর নামে নামকরণ করা হয়েছিল। তবে সম্প্রতি এটির নাম বদলে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে চট্টগ্রামের প্রথম শহীদ হওয়া ওয়াসিম আকরামের নামে নতুন করে নামকরণ করা হয়েছে।
প্রকল্পটির পরিচালক প্রকৌশলী মাহফুজুর রহমান জানিয়েছেন, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে এক্সপ্রেসওয়ের নাম পরিবর্তনের এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এর আগে, ২০২৩ সালের ১৪ নভেম্বর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই উড়ালসড়কটি উদ্বোধন করেন। তবে উদ্বোধনের পরও উড়ালসড়কটি পুরোপুরি যানচলাচলের জন্য প্রস্তুত ছিল না। এক্সপ্রেসওয়ে চট্টগ্রাম শহরের যানজট কমানোর পাশাপাশি বিমানবন্দর যাতায়াত সহজ করতে নির্মিত হয়েছে। সড়কটির কার্যক্রম পুরোপুরি চালু হওয়ায় এখন যানচলাচল অনেক বেশি নির্বিঘ্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) জানায়, এক্সপ্রেসওয়েটি দিয়ে ১০ ধরনের গাড়ি চলাচল করতে পারবে। এটিতে মোটরসাইকেল এবং ট্রেইলর ওঠানামার সুযোগ রাখা হয়নি। চূড়ান্ত হওয়া টোলের হার অনুযায়ী, সিএনজিচালিত অটোরিকশাকে ৩০ টাকা, কারজাতীয় গাড়ি ৮০ টাকা, জিপ ও মাইক্রোবাস ১০০ টাকা, পিকআপ ভ্যান ১৫০ টাকা, মিনিবাস ও ট্রাক (চার চাকা) ২০০ টাকা এবং বাসকে ২৮০ টাকা দিতে হবে। এছাড়া ট্রাক (৬ চাকা) ৩০০ টাকা এবং কাভার্ডভ্যানকে ৪৫০ টাকা টোল দিতে হবে।
এআরই/চট্টলা২৪

