বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গুরুতর আহত হয়ে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা ৮ যুবক গতকাল চট্টগ্রামে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে একটি ক্রিকেট ম্যাচ উপভোগ করেন। খেলা শেষে তারা চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ফরিদা খানমের সঙ্গে মতবিনিময়ে অংশ নেন এবং আন্দোলনের সময়ের বর্বরোচিত নির্যাতনের স্মৃতিচারণ করেন।
জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম তাদের “ন্যাশনাল হিরো” হিসেবে আখ্যা দিয়ে ভবিষ্যতে পাশে থাকার অঙ্গীকার করেন। এ সময় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ডিরেক্টর মোহাম্মদ মনজুর আলমও উপস্থিত ছিলেন।
আহতদের মধ্যে ছিলেন মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির ছাত্র কাজী আশরাফুর রহমান সিফাত, তেজগাঁও সরকারি কলেজের মোহাম্মদ আরাফুল ইসলাম, ছাত্র মোহাম্মদ রিফাত সিকদার, ফোন সার্ভিসিংকর্মী গোলাম আজম, বিক্রয়কর্মী আল আমিন ইসলাম সোয়েব, মোহাম্মদ জাকির সিকদার, ড্রাইভার মাসুম মিয়া এবং সৈয়দ আবিরুল ইসলাম।
তাদের মধ্যে তিনজনের একটি করে চোখ অন্ধ হয়ে গেছে, দুজনের পা কেটে ফেলা হয়েছে, একজনের কাঁধের হাড় ভেঙে গেছে, এবং একজনের শরীরে গুলি রয়ে গেছে। ভয়ংকর অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে তারা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।
জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, “নতুন বাংলাদেশ গড়ার এই যুদ্ধে হতাহত ছাত্র–যুবকদের ত্যাগ জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।”
ডেস্ক রিপোর্ট/ই ডি

