চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের নিলামে চলতি সপ্তাহে সাবেক এমপিদের শুল্কমুক্ত সুবিধায় আনা ৩০টি গাড়ি ওঠার কথা ছিল। তবে শুল্কায়ন শাখা থেকে দর নির্ধারণের কাজ শেষ না হওয়ায় এবারের নিলামে গাড়িগুলো তোলা সম্ভব হয়নি। তবে ৮৩ লটে কয়লা, পেপার, ব্যাগসহ পোশাক শিল্পে ব্যবহৃত নানা উপকরণ নিলামে তোলা হয়েছে।
নিলামের প্রস্তাবিত মূল্য জমা দিতে হবে ১২ ফেব্রুয়ারি দুপুর ২টা পর্যন্ত। চট্টগ্রাম কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, ১৩ হাজার ২১৯ কিলোগ্রাম কয়লা, পেপার, ব্যাগসহ পোশাক শিল্পের কাপড় ও অন্যান্য উপকরণ নিলামে তোলা হয়েছে। এর মধ্যে ২২ লট পণ্য দ্বিতীয়বার এবং ৫ লট পণ্য তৃতীয়বারের মতো নিলামে উঠেছে। ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নিলামের পণ্য বিডারদের দেখানো হবে ২৮ জানুয়ারি থেকে ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত।
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজের নিলাম ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. এয়াকুব চৌধুরী বলেন, “আমরা তো সবাই গাড়ির নিলামের জন্য অপেক্ষা করছিলাম। কাস্টম হাউস যেভাবে ফলাও করে প্রচার করেছে, নিলামের কাজে তো এখনও ধীরগতি দেখছি। নৌ-পরিবহন উপদেষ্টার মহোদয়ের নির্দেশনা ছিলো ৩০ জানুয়ারির মধ্যে গাড়িগুলো নিলামে তোলার। সেটাতো তারা করতে পারেনি।”
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের মুখপাত্র ও উপ-কমিশনার মো. সাইদুল ইসলাম বলেন, “সাবেক এমপিদের গাড়ির একটি নিলাম তোলার কথা ছিল। ওটার সবধরনের কাজ শেষ। শুল্কায়ন শাখা থেকে দর নির্ধারণ করার পরে তোলা হবে। এটি আশা করছি আগামী মাসেই তোলা যাবে।”
তিনি আরো বলেন, “অনলাইনের পাশাপাশি অফলাইনেও আমরা নিলাম করে চট্টগ্রাম বন্দরের অভ্যন্তরে থাকা কনটেইনারগুলো দ্রুত সময়ে খালি করার চেষ্টা করছি। অফলাইনে আমরা বিশেষ করে পচনশীল পণ্যের নিলাম করছি। গত দুইদিন আগেও খেজুরের নিলাম হয়েছে। সামনের ই-অকশনে উল্লেখযোগ্যভাবে পোশাক শিল্পের বিভিন্ন উপকরণ তোলা হয়েছে।”
দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফায় নিলামে তোলার কারণ সম্পর্কে কাস্টম মুখপাত্র বলেন, “কিছু পণ্যের লটের ক্ষেত্রে বিডাররা টাকা জমা করতে দেরি করেন। একপর্যায়ে আইনানুযায়ী সময়ে তারা পণ্য নিতে না পারলে সেগুলো নিলামে ওঠে যায়। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে সংরক্ষিত মূল্যের ৬০ শতাংশ দর না দিলে তা আমাদের আইন মেনে তিনবার পর্যন্ত নিলামে তুলতে হয়।”
ডেস্ক রিপোর্ট/ই ডি

