চট্টগ্রামের বায়েজিদ এলাকায় শীর্ষ সন্ত্রাসী মো. সাজ্জাদের স্ত্রী শারমিন আকতার বায়েজিদ থানার ওসি, দুই এসআইসহ কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তার ভ্রূণ হত্যার অভিযোগ তুলেছেন। একই সঙ্গে তিনি পুলিশের হেফাজতে অকথ্য নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন।
এ ঘটনায় শারমিন আকতার ৬ জনকে আসামি করে চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতে মামলা করেছেন। মামলাটি গত ১৫ জানুয়ারি আদালতে দাখিল করা হলেও সম্প্রতি, ২৬ জানুয়ারি প্রকাশ্যে আসে।
মামলায় আসামি হিসেবে আছেন বায়েজিদ থানার ওসি মো. আরিফুর রহমান, উপ-পুলিশ পরিদর্শক জগৎজ্যোতি দাস, মনিরুল ইসলাম, বায়েজিদ থানার আব্দুল কাদেরের ছেলে সরোয়ার বাবলা, হাটহাজারী থানার জাবেদ ভাগিনা এবং চান্দগাঁও থানার আনিকা ইসলাম মনি।
অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ১২ ডিসেম্বর ভোরে বায়েজিদ থানা পুলিশের একটি দল শারমিন আকতার ও তার স্বামী মো. সাজ্জাদকে গ্রেপ্তার করতে তাদের বাসায় যায়। পুলিশের সামনেই শারমিনকে মারধর করা হয় এবং কোনো নারী কনস্টেবল ছাড়াই তাকে আটক করা হয়। এসআই মনিরুল ইসলাম বাদীর দুটি ফোন এবং পাসপোর্ট জব্দ করলেও তা জব্দ তালিকায় উল্লেখ করা হয়নি।
শারমিন অভিযোগ করেন, পুলিশ তার সঙ্গে অমানবিক আচরণ করেছে, লাঠি দিয়ে আঘাত করেছে এবং তলপেটে লাথি মেরে তার ভ্রূণ নষ্ট করে দিয়েছে। তার দাবি, পুলিশি নির্যাতনে তার গর্ভের শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
বাদী আইনজীবী আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, ১৫ জানুয়ারি মামলাটি আদালতে দাখিল করা হয় এবং আদালত ৩০ জানুয়ারি আদেশের জন্য দিন ধার্য করেছে।
বায়েজিদ থানার ওসি মো. আরিফুর রহমান এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন, তবে তিনি বলেন, “যারা সন্ত্রাসী এবং খুনি, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োগ করা হবে।”
ডেস্ক রিপোর্ট/ই ডি

