চট্টগ্রাম বন্দরে আধুনিকায়ন ও ইকুইপমেন্ট বহর সমৃদ্ধ হওয়ার ফলে পণ্য হ্যান্ডলিং গতিশীলতা বেড়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতেই বন্দর অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে ফেলেছে। এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে বন্দরের শীর্ষ কর্মকর্তারা নানা পরিকল্পনা গ্রহণ করছেন।
চট্টগ্রাম বন্দর দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর হিসেবে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের চাপ সামলানোর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছে। ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে যেখানে মোট ২ লাখ ৩২ হাজার ৭০৯ টিইইউএস (TEUs) কন্টেনার হ্যান্ডলিং হয়েছিল, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে তা বেড়ে ২ লাখ ৬৩ হাজার ৬১৪ টিইইউএস-এ পৌঁছেছে। অর্থাৎ, এক বছরের ব্যবধানে এক মাসেই ৩০ হাজার ৯০৫ টিইইউএস বেশি কন্টেনার হ্যান্ডলিং হয়েছে।
এই বৃদ্ধির পেছনে বন্দরের উন্নয়ন কার্যক্রম, ইকুইপমেন্ট বহরের উন্নয়ন, পতেঙ্গা কন্টেইনার টার্মিনাল চালু হওয়া এবং পানগাঁও টার্মিনালের কার্যকর ব্যবহারের মতো নানা উদ্যোগ ভূমিকা রেখেছে।
বন্দরের শীর্ষ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে বছরজুড়ে বিশেষ অ্যাকশন প্ল্যান নেওয়া হবে। আজ চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শনে আসছেন নৌ পরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এসএম মনিরুজ্জামানসহ শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন এবং বন্দরের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করবেন।
বন্দরের সচিব মোহাম্মদ ওমর ফারুক জানিয়েছেন, নৌ পরিবহন উপদেষ্টা বন্দরের সার্বিক কার্যক্রম মূল্যায়ন করবেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করবেন।
ই ডি

