চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ রাসেলের ম্যুরাল ভাঙচুর করেছেন একদল শিক্ষার্থী। বুধবার (গতকাল) রাত ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা চত্বর এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল শেষে বঙ্গবন্ধু হল ও শেখ রাসেল হলের ম্যুরালে হামলা চালানো হয়।
এই ঘটনা ঘটে ছাত্রলীগের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারকে কেন্দ্র করে। এর প্রতিবাদে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চুয়েট শাখা এই কর্মসূচি পালন করে।
সংগঠনটির সমন্বয়ক মাহফুজার রহমান বলেন, “স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা ভারতে বসে ভিডিও লাইভে আসার ঘোষণা দিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছেন। দুই হাজার মানুষ হত্যার পরও তাঁর অনুশোচনা নেই। আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হয়নি এবং এখনো তাদের বিচারের আওতায় আনা হয়নি।”
চুয়েটের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও কৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী মাহী ইসলাম বলেন, “শেখ হাসিনা দেশ থেকে পালানোর পরও নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। তাঁর অপতৎপরতার প্রতিবাদে এবং চুয়েটের মাটি থেকে স্বৈরাচারের সব চিহ্ন মুছে ফেলতে আমরা ম্যুরালগুলো ভেঙে দিয়েছি।”
এ বিষয়ে ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের উপপরিচালক মোয়াজ্জেম হোসেন কোনো মন্তব্য করতে চাননি। তবে তিনি জানান, শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ থেকেই এই ঘটনা ঘটিয়েছে, প্রশাসনের আলাদা কোনো অবস্থান নেই।
প্রসঙ্গত, ছাত্রলীগের ফেসবুক পেজে শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারের ঘোষণা আসার পর বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন সংগঠনটি ‘বুলডোজার মিছিল’ ও ‘মার্চ টু ধানমন্ডি ৩২’ কর্মসূচির ডাক দেয়। তাদের সঙ্গে একাত্মতা জানিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে শেখ পরিবারের সদস্যদের ম্যুরাল ভাঙচুর করেন বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা।
ই ডি

