প্রতি বছর রমজান মাসে নগরীতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ, পানি ও গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকারি সেবা সংস্থাগুলো আগেভাগে প্রস্তুতি নেয়। এবারও সেহেরি, ইফতার ও তারাবির সময় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহের জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) চট্টগ্রাম অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শহীদুল ইসলাম মৃধা জানান, আসন্ন রমজানে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিভিন্ন প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সাব-স্টেশনগুলোর মেরামত, সঞ্চালন লাইনের দুই পাশের গাছের ডালপালা কাটা এবং প্রতিটি ডিভিশনে নির্বাহী প্রকৌশলীসহ অন্যান্য প্রকৌশলীদের রোস্টার করে দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। এছাড়া, খুলশী গ্রিড সিস্টেম কন্ট্রোল থেকে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হবে।
তবে কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে। কাপ্তাই লেকে পানির স্তর কমে যাওয়ায় পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চারটি ইউনিট বন্ধ রয়েছে। রাউজান তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুটি ইউনিটও দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ। এছাড়া শিকলবাহা, রিজন্ট পাওয়ার ও জুলধা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কিছু ইউনিটও বন্ধ থাকায় কিছুটা ঘাটতি থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে, চট্টগ্রাম ওয়াসাও রমজানে পানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। ওয়াসার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নুরুল আমিন জানান, চারটি অঞ্চলে (মড-১ আগ্রাবাদ, মড-২ জুবলী রোড, মড-৩ মেহেদীবাগ, মড-৪ কালুরঘাট) কন্ট্রোল রুম চালু থাকবে এবং ভিজিল্যান্স টিম সার্বক্ষণিক তদারকি করবে। তবে শুষ্ক মৌসুমে কর্ণফুলী ও হালদার পানিতে লবণাক্ততা বেড়ে যাওয়ায় কিছুটা উৎপাদন কমে গেছে।
সব প্রস্তুতির পরও বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ পুরোপুরি স্বাভাবিক থাকবে কি না, তা নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে।
ই ডি

