চট্টগ্রামের কমার্স কলেজ সংলগ্ন সড়কে শহীদ কাউসার মাহমুদের নামাজে জানাজা শুরু হয় রাত পৌনে নয়টায়। এরআগে সেখানে বক্তব্য রাখা নিয়ে তৈরি হয় হট্টগোল।
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক রিদুয়ান সিদ্দিকীর পরিচালনায় শুরু হওয়া জানাজা পূর্ব সমাবেশে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি সাইফুল ইসলাম, সদস্য সচিব শরিফুল ইসলাম তুহিন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি আলাউদ্দিন মহসিন, মহানগর দক্ষিণ ছাত্র শিবিরের সভাপতি শহিদুল ইসলাম, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান নাজিম, নগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক সাইফুল ইসলাম।
জানাজে জানাজায় কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার হেলাল উদ্দিন, মহানগর জামাতের আমির, সাবেক সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী, নগর বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আবুল হাসেম বক্কর, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ, বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবি পরিষদ চট্টগ্রামের আহবায়ক জাহিদুল করিম কচি, বিএনপির কেন্দ্রীয় বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ কমিটির সদস্য ইসরাফিল খসরু উপস্থিত থাকলেও হট্টগোলে তাদের বক্তব্য রাখা হয় নি।
এরমধ্যেই নামাজ শুরু হয়। এরআগে জামায়াতের আমির শাহজাহান চৌধুরীর ইমামতি করার কথা থাকলেও পরিবর্তন করা হয় ইমাম। বিএনপি নেতা আবুল হাসেম বক্করের নাম ঘোষণা না করার কারণে তার অনুসারীরা সমন্বয়কদের সাথে উদ্ধতপূর্ণ আচরন করেন। সমন্বয়ক রিদুয়ানের দিকে তেড়ে যেতে দেখা যায় বিএনপি নেতা আবুল হাসেম বক্করের ব্যক্তিগত সরকারী পরিচয় দেয়া এক যুবককে। নামাজের পর হট্টগোল ও বিশৃঙ্খলা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা।
জানাজা নামাজের পর বক্তব্য রাখেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের রাসেল আহমেদ, রেজাউর রহমান। এসময় রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে ছাত্রদের ‘ফুটেজ খোর’ ‘ফুটেজ খোর’ শ্লোগান দিতে দেখা যায়।
জানতে চাইলে সমন্বয়ক রাসেল আহমেদ বলেন, হট্টগোলের কারণে জানাজা শেষে আমাদের সহযোদ্ধা শহীদ কাউসারের কফিন পর্যন্ত বহন করতে পারলাম না। এটা আমাদের অধিকার। কিন্তু রাজনৈতিক নেতারা নিজেদের আত্নপ্রচারে ব্যস্ত। ‘

