জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মোস্তফা ফিরোজ বলেছেন, নেপাল ৬ মাসে নির্বাচন দিতে পারে, বাংলাদেশের কেন ১৮ মাস লাগে— এই কঠিন প্রশ্নের মুখে পড়েছেন ড. ইউনূস। আলজাজিরার একজন উপস্থাপকের সাক্ষাৎকারে ড. ইউনূস এ প্রশ্নের সম্মুখীন হন।ফিরোজ বলেন, নেপালে সাম্প্রতিক ক্ষমতার পরিবর্তন হয়েছে। সেটাকে খাটো করে দেখার কোনো উপায় নেই।
জেন-জিদের আন্দোলনে সেখানে পরিবর্তন হয়েছে। সেখানেও সংস্কারের দাবি উঠছে। সুশীলা কার্কী সাবেক প্রধান বিচারপতি, তিনি রাজনৈতিক ব্যক্তি না। তিনি অবসরে গেছেন, ৭২ বছর বয়স।তিনি এসে প্রথমেই নির্বাচনের ডেটটা ফিক্সড করে বলেছেন যে, সংস্কার এবং সমস্ত কার্যক্রম করবে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা।সম্প্রতি নিজের ইউটিউবের এক ভিডিও বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন। মোস্তফা ফিরোজ বলেন, ‘ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন যে, এখানে নির্বাচনের চেয়ে সুশাসন, সংস্কার, বিচার এগুলোর ওপরে প্রাধান্য আছে। এই কারণে সময় লাগছে।
কিন্তু এই যে সাক্ষাৎকারটির তুলনা, নেপাল পারল ছয় মাসে আর তোমাদের ১৮ মাস লাগতেছে কেন? এটা কিন্তু বিব্রতকর। এটা হলো আমাদের ব্যর্থতা। আমাদের দেশের এত বড় পরিবর্তন, এত বড় রাজনৈতিক দল সবাই থাকতেও এটা পারা গেল না।তিনি বলেন, প্রধান দল বিএনপি তারা ডিসেম্বর মাস চেয়েছিল। সেটাও একটা লম্বা সময় ছিল।
তার পরও সেই জায়গা থেকে পিছিয়ে তারা চলে গেল ফেব্রুয়ারিতে। এই সময়ের মধ্যে আমাদের অবস্থাটা কী দাঁড়ালো? ড. মুহাম্মদ ইউনূস নিজেও বিতর্কিত হলেন নানান কারণে। বলা হলো তিনি নির্বাচনের চেয়ে অন্যান্য কাজে সময় ব্যয় করলেন। নিয়মিত সরকারের মতোন কার্যক্রম করা শুরু করল। বিশাল একটা দল নিয়ে তিনি জাতিসংঘ অধিবেশনে গেলেন। তার সরকারি উপদেষ্টারা আজকে এখানে যাচ্ছেন, ওখানে যাচ্ছেন, বিদেশ যাচ্ছেন— অর্থাৎ নিয়মিত সরকার যা হয়।ফিরোজ আরো বলেন, ইন্টেরিম গভর্নমেন্ট বাইরের অনেক কার্যক্রম বাদ দিয়ে দ্রুত একটা নির্বাচন সংস্কার যদি হয় সে কাজটা করবে, সেটাও হলো না। মেয়াদটা বাড়াতে হলো।