বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

খাগড়াছড়িতে আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস উদযাপন

আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবসে গ্রামের নারীদের অধিকার আর সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতিবছর ১৫ অক্টোবরের এই দিনে পালিত হয় দিবসটি। প্রতিবারের মতো এবারও দিবসটি বাংলাদেশে পালিত হচ্ছে।

মূলত: ১৯৯৭ সাল থেকে জেনেভাভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘উইমেনস ওয়ার্ল্ড সামিট ফাউন্ডেশন’ দিবসটি পালনের জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচি পালন করে। এরপর ২০০৭ সালের নভেম্বর মাসে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ১৫ অক্টোবরকে আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস হিসেবে পালন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তারপর থেকেই মূলত আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস নিয়মিত পালিত হচ্ছে।

গ্রামীণ উন্নয়ন, খাদ্য নিরাপত্তা ও দারিদ্র্য দূরীকরণসহ নানা ক্ষেত্রে গ্রামীণ নারীদের অবদানকে স্বীকৃতি দেয়ার লক্ষেই এই দিবসটি উদযাপন করা হয়ে থাকে।

“দুর্যোগে নারীর সুরক্ষায় দরকার সচেতনতা সৃষ্টি এবং সরকারের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে জাবারাং কল্যাণ সমিতি ও আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস উদযাপন কমিটি, খাগড়াছড়ি জেলা শাখা ১৫ অক্টোবর ২০২৪ সকাল ১০:৩০ টায় মাটিরাঙ্গা উপজেলার গোমতি ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ের একটি গ্রাম কেশব মহাজন পাড়ায় জুম ফসলের বীজ প্রদর্শনী মেলার আয়োজন করেছে। ইফাড- ইপাফ এবং টেবটেব্বা ফাউন্ডেশন এর অর্থায়নে জাবারাং কল্যাণ সমিতি কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ST-NRM প্রকল্পের উদ্যোগে এই বীজ প্রদর্শনী মেলার আয়োজন করা হয়। মেলায় নিকটবর্তী ৬ টি গ্রামের মোট ৯জন গ্রামীণ নারী নিজেদের সংগ্রহে থাকা নানা জাতের জুম ফসলের বীজ প্রদর্শন করে। এতে ২৫ প্রকার থেকে ৪৫ প্রকারের বিভিন্ন প্রজাতির বীজ প্রদর্শিত হয়। ৯ জন অংশগ্রহণ কারীর মধ্য হতে সংগ্রহের প্রকারভেদ বিবেচনায় ৪৫ প্রকার বীজ নিয়ে কেশব মহাজন পাড়া হতে অংশগ্রহণকারী অঙ্গরী ত্রিপুরাকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। মেলা শেষে বিজয়ীসহ সকল অংশগ্রহণকারীদের সার্টিফিকেট ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

পাড়া ভলান্টিয়ার হৃদয় ত্রিপুরা’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি’র সভাপতি কমি রঞ্জন ত্রিপুরা এবং প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন
জাবারাং কল্যাণ সমিতি’র নির্বাহী পরিচালক মথুরা বিকাশ ত্রিপুরা।

বীজ সংরক্ষণ নারীদের ভূমিকা এবং প্রদর্শনী মেলায় তাদের অংশগ্রহণকে আরও প্রাণবন্ত করতে পুরুষদেরও পাশে থাকার আহবান জানিয়েছেন প্রধান অতিথি। তিনি আরও বলেন জুম চাষকে বিজ্ঞানভিত্তিক এবং যুগোপযোগী করতে সকলের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা প্রয়োজন। প্রকল্পের মাধ্যমে এ সংক্রান্ত উদ্যোগ বাস্তবায়নে আগামীতে যে কোন কার্যক্রম গ্রহন করা হলে পাড়াবাসীর আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছেন প্রধান অতিথি। আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাবারাং কল্যাণ সমিতি’র কর্মসূচি সমন্বয়কারী বিনোদন ত্রিপুরা, কমিটির উপদেষ্টা ও কার্বারী দলেন ত্রিপুরা, ওয়ার্ড মেম্বার উমেন্দ্র ত্রিপুরা প্রমুখ।

সর্বশেষ

আরও পড়ুন
বিষয়

আড়াই ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন চমেক হাসপাতাল, বন্ধ পরীক্ষা-নিরীক্ষা

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে প্রায় আড়াই ঘণ্টা বিদ্যুৎ...

পর্নোগ্রাফি তৈরি করে ব্ল্যাকমেইল, ৩৩ হাজার টাকা আদায়; আশুলিয়া থেকে গ্রেপ্তার ১

চট্টগ্রামের ডবলমুরিংয়ে প্রতারণার মাধ্যমে অশ্লীল ছবি ও পর্নোগ্রাফি ভিডিও...

বড় সাজ্জাদের নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ, ডিবির হাতে বিএনপি নেতা হাশেম রাজুর জামাতা

চট্টগ্রামের আলোচিত আন্ডারওয়ার্ল্ড নিয়ন্ত্রক ও পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী...

৯ শ্রমিকের মৃত্যুর দুদিন পর সীতাকুণ্ডের আরেক শিপইয়ার্ডে দুর্ঘটনা

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিষাক্ত গ্যাসে ৯ শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনার দুদিনের...