শেয়ার জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আসামি ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। সোমবার (১৫ মার্চ) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-এর ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবু বকর সিদ্দিক এ আদেশ দেন। গ্রেপ্তারি পরোয়ানাটি বনানী থানা-র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কাছে পাঠানো হয়েছে
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. আবুল হাসেম।
মামলার তদন্ত প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, ইনকনট্রেড লিমিটেড-এর শেয়ার জালিয়াতি ও আত্মসাতের অভিযোগে মামলাটি দায়ের করা হয়। তদন্তে উল্লেখ করা হয়, ২০০৬ সালে বাদী ও তার স্ত্রী কোম্পানির মোট ২৩০০ শেয়ারের মধ্যে ৫০০ শেয়ারের মালিকানা অর্জন করেন। তবে ২০০৭ ও ২০০৯ সালে কোম্পানির শেয়ার বৃদ্ধি করা হলেও তাদের সে বিষয়ে অবহিত করা হয়নি।
পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-এর তদন্তে বলা হয়, বোর্ড মিটিংয়ের নোটিশ প্রদান ছাড়াই জাল রেজুলেশন দেখিয়ে বিপুল পরিমাণ শেয়ার বৃদ্ধি করা হয় এবং সেই শেয়ার এককভাবে নিজের নামে বরাদ্দ নেন ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুন।
তদন্তে আরও উঠে আসে, প্রথম দফায় ৩ লাখ ৭০ হাজার ৯৬৭টি এবং দ্বিতীয় দফায় ৬ লাখ ২৭ হাজার ৫৩৩টি শেয়ার বৃদ্ধি করে মোট প্রায় ৯ লাখ ৯৮ হাজার ৫০০টি শেয়ার নিজের নিয়ন্ত্রণে নেন তিনি। তদন্ত প্রতিবেদনে এর বাজারমূল্য প্রায় ৯ কোটি ৯৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা উল্লেখ করা হয়েছে।
পিবিআই তদন্তে দণ্ডবিধির ৪০৬, ৪২০, ১০৯, ৫০৬ ও ৩৪ ধারার অপরাধের সত্যতা পাওয়া গেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। একই সঙ্গে কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মহসিন সরকারের বিরুদ্ধেও অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে।
তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিলের পর আদালত ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। মামলার পরবর্তী কার্যক্রম বিচারাধীন রয়েছে।
ফারুক, চট্টলা২৪

