জাপানের টোকিও থেকে লন্ডনগামী একটি ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের বিমানে উড্ডয়নের ঠিক আগে এক যাত্রীর স্মার্টফোনে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। দ্রুত পদক্ষেপের কারণে বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। এ ঘটনায় বিমানটির যাত্রা প্রায় এক ঘণ্টা বিলম্বিত হয়।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ১৮ জুন টোকিওর হানেদা বিমানবন্দরে স্থানীয় সময় দুপুর ১টার কিছু পর উড্ডয়নের প্রস্তুতি নিচ্ছিল বিমানটি। এ সময় কেবিনের ভেতরে ধোঁয়া দেখা গেলে ক্রুরা দ্রুত বিষয়টি শনাক্ত করেন এবং কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করেন।
পরে তদন্তে জানা যায়, এক যাত্রীর ব্যাগে থাকা স্মার্টফোনে আগুন লেগেছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিমানকর্মীরা অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র ব্যবহার করেন এবং আগুন দ্রুত নিভিয়ে ফেলেন।
ঘটনার পর বিমানটিকে পুনরায় পার্কিং এলাকায় ফিরিয়ে নেওয়া হয়। এরপর দমকল ও জরুরি বিভাগের কর্মীরা বিমানটিতে তল্লাশি চালিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা যাচাই করেন।
জাপানের পরিবহন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বিমানে মোট ২১১ জন যাত্রী ও ক্রু ছিলেন। সৌভাগ্যবশত এ ঘটনায় কেউ হতাহত হননি। প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা পরীক্ষা শেষে বিমানটি প্রায় এক ঘণ্টা পর গন্তব্যের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে।
এক বিবৃতিতে ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ জানিয়েছে, যাত্রী ও ক্রুদের নিরাপত্তাই তাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। সব ধরনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেই ফ্লাইট পরিচালনা করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত এক সপ্তাহে ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের বিমানে এটি দ্বিতীয়বারের মতো স্মার্টফোনে আগুন লাগার ঘটনা। কয়েক দিন আগে লন্ডন থেকে লাস ভেগাসগামী একটি ফ্লাইটে মাঝ আকাশে এক যাত্রীর ফোনে আগুন ধরে গেলে বিমানটিকে জরুরি অবতরণ করতে হয়েছিল।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারিচালিত ডিভাইস থেকে আগুন লাগার ঘটনা বিশ্বজুড়ে বিমান চলাচলের জন্য নতুন উদ্বেগ তৈরি করছে।
সাব্বির, চট্টলা২৪

