শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

২ জুলাই থেকে এইচএসসি, ১১ বোর্ডে পরীক্ষার্থী ১২ লাখ ৬৭ হাজার

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হচ্ছে বৃহস্পতিবার (২ জুলাই)। এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডে নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে মোট ১২ লাখ ৬৭ হাজার ৪৮৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেবেন। দেশের দুই হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে একযোগে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

সব শিক্ষা বোর্ডে সকাল ১০টায় পরীক্ষা শুরু হয়ে চলবে দুপুর ১টা পর্যন্ত। তবে পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে।

সবচেয়ে বেশি পরীক্ষার্থী ঢাকা বোর্ডে

বোর্ডভিত্তিক পরিসংখ্যানে সবচেয়ে বেশি পরীক্ষার্থী রয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে। এ বোর্ডের ৩১০টি কেন্দ্রে তিন লাখ ৩০ হাজার ৩৯৩ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেবেন।

এছাড়া রাজশাহী বোর্ডের ২০৮টি কেন্দ্রে এক লাখ ৪০ হাজার ৮৩০ জন, যশোর বোর্ডের ২৪০টি কেন্দ্রে এক লাখ ১৭ হাজার ২১০ জন, দিনাজপুর বোর্ডের ২১২টি কেন্দ্রে এক লাখ ১৩ হাজার ৪৭৯ জন, চট্টগ্রাম বোর্ডের ১১৪টি কেন্দ্রে ৯৯ হাজার ৬৮৮ জন, কুমিল্লা বোর্ডের ১৯৩টি কেন্দ্রে ৯৪ হাজার ৮০২ জন, ময়মনসিংহ বোর্ডের ১১১টি কেন্দ্রে ৭৩ হাজার ৩৭ জন, সিলেট বোর্ডের ৯৬টি কেন্দ্রে ৭১ হাজার ৭১১ জন এবং বরিশাল বোর্ডের ১৪২টি কেন্দ্রে ৫৮ হাজার ৬৬৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেবেন।

বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৪৬১টি কেন্দ্রে ৯২ হাজার ৯০৫ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ৬১০টি কেন্দ্রে এক লাখ সাত হাজার ৯৬৪ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেবেন।

নকল ও অনিয়ম ঠেকাতে কড়া নির্দেশনা

পরীক্ষা সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত পরিবেশে আয়োজনের লক্ষ্যে কেন্দ্র পরিচালনা, প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা, পরীক্ষার্থী প্রবেশ, কক্ষ ব্যবস্থাপনা এবং প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারিসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা বোর্ডগুলো।

নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রতি ২০ জন পরীক্ষার্থীর জন্য একজন করে কক্ষ পরিদর্শক থাকবেন। তবে কোনো কক্ষে দুজনের কম পরিদর্শক দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। পরীক্ষার্থীদের বসার ক্ষেত্রেও নির্ধারিত মানদণ্ড অনুসরণ করতে হবে।

পরীক্ষার্থীরা সকাল সাড়ে ৮টা থেকে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন। তবে পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে সবাইকে নির্ধারিত কক্ষে প্রবেশ নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ পরিস্থিতিতে দেরিতে আসা পরীক্ষার্থীদের তথ্য রেজিস্টারে সংরক্ষণ করে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া যাবে।

প্রশ্নপত্রে থাকবে কঠোর নিরাপত্তা

প্রশ্নপত্র ব্যবস্থাপনায়ও রাখা হয়েছে একাধিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পরীক্ষা শুরুর তিন দিন আগে ট্রেজারি বা থানা লকারে সংরক্ষিত প্রশ্নপত্র সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে যাচাই করা হবে। পরীক্ষার দিন ট্যাগ অফিসার ও পুলিশের প্রহরায় প্রশ্নপত্র কেন্দ্রে পৌঁছানো হবে। মোবাইল ফোনে নির্ধারিত সেট কোড পাওয়ার পরই প্রশ্নপত্র খোলা যাবে। নির্ধারিত সেটের বাইরে পরীক্ষা নেওয়া হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সব কেন্দ্রে বাধ্যতামূলক সিসিটিভি

পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি নিশ্চিত করতে সব কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা সচল রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একই সঙ্গে ক্যামেরার আইডি, পাসওয়ার্ড, ব্র্যান্ড, ডিভাইসের সিরিয়াল নম্বর এবং ডিভিআর/এনভিআর সংযোগসংক্রান্ত তথ্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সাব্বির, চট্টলা২৪

সর্বশেষ

আরও পড়ুন
বিষয়

চট্টগ্রাম বিআরটিএতে দালালির অভিযোগে বৃদ্ধের ২০ দিনের কারাদণ্ড

চট্টগ্রাম বিআরটিএ কার্যালয়ে দালালির অভিযোগে মনজুর আলম (৬৫) নামে...

সড়ক নিরাপত্তায় হাটহাজারীর স্কুলছাত্রীদের সচেতনতামূলক কর্মশালা

চট্টগ্রামে সড়ক নিরাপত্তা ও দুর্ঘটনা হ্রাসে শিক্ষার্থীদের সচেতন করতে...

শিশু নিখোঁজ হলে সবার আগে যা করবেন

৩ সেপ্টেম্বর বিকেলের ঘটনা। আমার বাসার সহকারীর আসল নাম...