বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

তারেক রহমানের ইশতেহার অনুযায়ী শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার করছে সরকার: মাহ্দী আমিন

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহ্দী আমিন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনী ইশতেহারের আলোকে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার প্রয়োজনীয় সংস্কারই হবে আগামী দিনের সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলার মৌলিক ভিত্তি।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে ‘বাংলাদেশে গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফর এডুকেশন (জিপিই) সিস্টেম ট্রান্সফরমেশন গ্রান্ট (এসটিজি) এবং মাল্টিপ্লায়ার গ্রান্ট’-এর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জিপিই, ইউনেস্কো, ইউনিসেফ, এডিবি, শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

ড. মাহ্দী আমিন বলেন, একটি আধুনিক ও যুগোপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেমিক, সুনাগরিক, যোগ্য ও বিশ্বমানের নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অংশীদারদের সহযোগিতায় বাংলাদেশের শিক্ষা খাতের উন্নয়নে ৯৮ দশমিক ৮৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের অনুদান নিশ্চিত হয়েছে। এই অংশীদারত্বের মাধ্যমে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক করা সম্ভব হবে।

শিক্ষা উপদেষ্টা জানান, প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের মেধা ও সুপ্ত প্রতিভার বিকাশে শিক্ষাক্রম আধুনিকায়নের কাজ চলছে। মুখস্থনির্ভর শিক্ষা কমিয়ে শিক্ষাকে আনন্দময় করতে ‘সংস্কৃতি’ ও ‘ক্রীড়া’ বিষয় দুটি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পাশাপাশি বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কারিগরি, বৃত্তিমূলক ও ভাষাগত দক্ষতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থার সুফল নিশ্চিত করতে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ ও পেশাগত সক্ষমতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি। এ অনুদান শিক্ষকদের দক্ষতা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষাক্ষেত্রে বৈষম্য কমাতে দেশের সব অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য একই মানের স্কুল ইউনিফর্ম ও স্কুল ব্যাগ নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি প্রযুক্তিনির্ভর স্মার্ট ও মাল্টিমিডিয়া শ্রেণিকক্ষ সম্প্রসারণ এবং ‘মিড-ডে মিল’ কর্মসূচির টেকসই বাস্তবায়নেও সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা ও প্রাথমিক গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। এছাড়া ইউনিসেফ, ইউনেস্কো, এডিবি এবং ব্রিটিশ হাই কমিশনের ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

ফারুক, চট্টলা২৪

সর্বশেষ

আরও পড়ুন
বিষয়

চট্টগ্রাম বিআরটিএতে দালালির অভিযোগে বৃদ্ধের ২০ দিনের কারাদণ্ড

চট্টগ্রাম বিআরটিএ কার্যালয়ে দালালির অভিযোগে মনজুর আলম (৬৫) নামে...

সড়ক নিরাপত্তায় হাটহাজারীর স্কুলছাত্রীদের সচেতনতামূলক কর্মশালা

চট্টগ্রামে সড়ক নিরাপত্তা ও দুর্ঘটনা হ্রাসে শিক্ষার্থীদের সচেতন করতে...

শিশু নিখোঁজ হলে সবার আগে যা করবেন

৩ সেপ্টেম্বর বিকেলের ঘটনা। আমার বাসার সহকারীর আসল নাম...