খায়রুন নাহার: ঋতু বৈচিত্রের পালাক্রমে প্রকৃতিতে এখন শীত। এই ঋতু কারো কাছে ধরা দেয় সুখ হয়ে, কারো কাছে আসে দুঃখ নিয়ে। শীত যখন দরজায় কড়া নাড়ে বিত্তশালী মানুষ থাকে আমেজ উপভোগের অপেক্ষায়, অপরদিকে নিম্নবিত্তরা থাকে তটস্থে।এই ঋতুই যেন তাদের জীবনকে করে তোলে অসহনীয়।
যদিও বাংলাদেশে শীতকাল খুব বেশি দিন স্থায়ী হয় না, তবে ডিসেম্বরের শেষের দিক থেকে শুরু করে পুরো জানুয়ারি মাসে এদেশে বিরাজ করে তীব্র শীত। এতে সবচেয়ে বেশি বিপকে থাকেন পথশিশুরা। তাদের অবস্থা সবচেয়ে দুর্বিষহ হয় শৈত্যপ্রবাহ শুরু হলে।
সাধারণ মানুষ যেখানে নানা রকম শীত বস্ত্র পরিধান করে শীতের প্রকোপ ঠেকাতে ব্যস্ত, সেখানে পথ শিশুরা ছেঁড়া কাঁথা কিংবা পলিথিন গায়ে দিয়ে শীত নিবারনের সামন্য চেষ্টা করে।কনকনে শীতে শীতবস্ত্রহীন অসহায় মানুষ এবং পথশিশুরা রাত্রি যাপন করে ফুটপাতে। অধিক ঠান্ডায় বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ে। এমনকি মারাও যায়।
দেশের দরিদ্র , সুবিধাবঞ্চিত , অসহায় মানুষদের শীতবস্ত্র বিতরণের মাধ্যমে তাদের মুখে হাসি ফোটানো-ই, মানুষ হিসেবে আমাদের নৈতিক দায়িত্ব বলে মনে করছি।সমাজের সামর্থ্যবান ও বিত্তশালীরা এসব শীতার্ত মানুষের প্রতি সাহায্য ও সহানুভূতির হাত বাড়ালে ফুটবে হাসি তাদের মুখে। উষ্ণতার চাদরে ডাকবে তাদের জীবন।
তাই আসুন আমরা সাধ্যমতো শীতার্তদের পাশে দাঁড়াই।
লেখক পরিচিতি: শিক্ষার্থী, সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম বিভাগ, পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি।

