গাজীপুরে সাবেক মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের বাড়িতে হামলা চালিয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টার দিকে মহানগরের ধীরাশ্রমের দক্ষিণখানে এ ঘটনা ঘটে। হামলায় অন্তত ১৫ জন আহত হন, যাদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা মন্ত্রীর বাড়ির ভেতরে ঢুকে ভাঙচুর চালান। এ সময় মসজিদের মাইকে “ডাকাত পড়েছে” বলে ঘোষণা দিয়ে স্থানীয়দের এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়। মাইকিং শুনে আশপাশের লোকজন এসে বাড়িটি ঘিরে ফেলেন এবং কয়েকজন হামলাকারীকে আটকে রেখে মারধর করেন।
পরে সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। গুরুতর আহত কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়।
জয়দেবপুর থানার ওসি আরিফুর রহমান জানান, ছাত্র-জনতার পরিচয়ে একদল লোক সাবেক মন্ত্রীর বাড়িতে হামলা চালায়। স্থানীয়রা তাদের কয়েকজনকে আটক করে মারধর করেছেন। ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১২-১৩ জন আহত হয়েছেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে।
এ ঘটনার প্রতিবাদে রাত পৌনে ২টার দিকে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে বিক্ষোভ মিছিল করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা। সংগঠনের গাজীপুরের নেতা মো. আবদুল্লাহ জানান, খবর পেয়ে শিক্ষার্থীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে লুটপাট ঠেকানোর চেষ্টা করেন। তখন একদল সশস্ত্র ব্যক্তি তাদের ওপর হামলা চালায়, ছাদে নিয়ে বেধড়ক মারধর করে এবং কুপিয়ে জখম করে। পরে আরও শিক্ষার্থী পৌঁছালে তাদেরও পেটানো হয়।
ঘটনার পর পুলিশ ও সেনাবাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।
ই ডি

