সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ অংশীজনদের মতামত উপেক্ষা এবং সংস্কার কমিটির সুপারিশ প্রকাশ না করে নজিরবিহীনভাবে দ্রুততা ও গোপনীয়তার সঙ্গে অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে। এই সংস্কারের উদ্দেশ্য ও কার্যকারিতা নিয়ে এরই মধ্যে রাজনৈতিক, ব্যবসায়ীমহল, পলিসি থিংকট্যাংকসহ বিভিন্ন মহল প্রশ্ন তুলেছে।
আরো বলা হয়েছে, রাজস্বব্যবস্থা সংস্কারের নামে ৫০ বছরের ঐতিহ্যবাহী এনবিআরকে বিলুপ্ত করে দেওয়া হয়েছে কোনো কারণ ছাড়াই। যেখানে রাজস্ব এজেন্সিকে সংস্কারের মাধ্যমে শক্তিশালী করা প্রয়োজন, সেখানে এটিকে বিলুপ্ত করে রাজস্ব কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ে দুটি বিভাগ সৃষ্টি করা হচ্ছে; যা রাজস্ব ব্যবস্থাপনার আন্তর্জাতিক রীতিনীতির সম্পূর্ণ পরিপন্থী।
আন্দোলনকে বিভিন্ন ট্যাগ দেওয়ার চেষ্টা চলছে উল্লেখ করে বলা হয়েছে, আন্দোলনকে নস্যাৎ করতে বানোয়াট ও অসত্য প্রচারণা চালাচ্ছে একটি মহল। এই আন্দোলন পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসরদের সৃষ্টি—এমন গুজব রটানোর অপচেষ্টা আমরা দেখছি। আমরা দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলতে চাই, এই আন্দোলন স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণকারী সব স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীর। মিথ্যা ট্যাগিং দিয়ে ও গুজব ছড়িয়ে এই যৌক্তিক আন্দোলনকে নস্যাৎ করা যাবে না বরং এতে আন্দোলন আরো বেগবান হবে।
আন্দোলনে সাময়িক অসুবিধার জন্য করদাতা ও সেবাপ্রার্থীদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে ঐক্য পরিষদ। বলা হয়েছে, আমরা রাজস্ব নীতি ও ব্যবস্থাপনা আলাদা করার পক্ষে। কিন্তু সেটি হতে হবে বাস্তবমুখী, অংশীজনের মতামতভিত্তিক এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার সর্বোচ্চ মূল্যায়নের মাধ্যমে। দাবি আদায় হলে নির্ধারিত অফিস সময়ের বাইরে অতিরিক্ত সময়ে কাজ করে এনবিআরের অনিষ্পন্ন কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।
ডেস্ক নিউজ/চট্টলা’২৪/হহ

