মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্র্রাম্প আগামী শুক্রবারের আগেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সাম্প্রতিক চুক্তির পূর্ণাঙ্গ বিবরণ প্রকাশ করতে পারেন বলে জানিয়েছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।
সোমবার ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভ্যান্স জানান, দুই দেশের নেতারা ইতোমধ্যে চুক্তিতে ইলেকট্রনিকভাবে স্বাক্ষর করেছেন। চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে সামনাসামনি স্বাক্ষরের জন্য শুক্রবার একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এর আগে ট্রাম্প প্রশাসনও ইঙ্গিত দিয়েছিল যে শিগগিরই চুক্তির সম্পূর্ণ পাঠ জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে।
এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতাকে ‘চমৎকার শান্তি চুক্তি’ হিসেবে অভিহিত করেন ভ্যান্স। তিনি এটিকে আমেরিকান জনগণের জন্য ‘উভয় পক্ষের লাভজনক (উইন-উইন) সমঝোতা’ বলেও উল্লেখ করেন।
ভিডিও বার্তায় ভ্যান্স বলেন, এই চুক্তির ফলে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ Strait of Hormuz দ্রুতই স্বাভাবিক নৌচলাচলের জন্য উন্মুক্ত হয়ে যাবে।
তিনি আরও দাবি করেন, সমঝোতাটি নিশ্চিত করবে যে ইরান ভবিষ্যতে কখনও পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারবে না। একই সঙ্গে চুক্তির শর্ত মেনে চললে দেশটির জন্য বৈশ্বিক অর্থনীতির সঙ্গে আরও গভীরভাবে যুক্ত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হবে।
ভ্যান্স বলেন, “যদি ইরান দীর্ঘমেয়াদে তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি পুনর্গঠন না করার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে, তাহলে তাদের বিশ্ব অর্থনীতিতে স্বাগত জানানো হবে।”
তবে তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, “যদি তারা সেই প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে, তাহলে এমন কর্মসূচি পুনর্গঠনের মতো অর্থনৈতিক সক্ষমতা তাদের হাতে থাকবে না।”
চুক্তির পূর্ণাঙ্গ বিবরণ এখনও প্রকাশ করা না হলেও, এটি মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি, জ্বালানি বাজার এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
সাব্বির, চট্টলা২৪

